সর্বশেষ আপডেট
Home » bn » আশুরার রোজা রাখার ফজিলত

আশুরার রোজা রাখার ফজিলত

19g80_3790814416267803061_o»»»আশুরার রোজা রাখার ফজিলত«««

***আশুরার দিনটি মহিমান্বিত। হাদীস শরীফে এসেছে-এই দিনে আল্লাহ সুবহানু তা’আলা একটি জাতির তাওবা কবুল করেছেন এবং ভবিষ্যতেও অন্যদের তাওবা কবুল করবেন। (জামে তিরমিযী ১/১৫৭)আর এই দিনে রোযা রাখলে পেছনের এক বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যায়। (সহীহ মুসলিম ১/৩৬৭; জামে তিরমিযী ১/১৫৮)

***হযরত আবু কাতাদা (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) প্রিয় রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করে বলেন, ‘প্রতি মাসে তিন দিন এবং এক রামাযান থেকে আরেক রামাযান পর্যন্ত রোযা রাখলে সারা বছর রোযা রাখার সাওয়াব অর্জিত হয়। আরাফার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে আগের ও পরের এক বছরের গুনাহ মোচন করে দিবেন। আর আশুরার দিন রোযা রাখলে আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর বিনিময়ে পূর্বের এক বছরের গুনাহ মোচন করবেন।’ (সহীহ মুসলিম)

***হযরত আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) থেকে বর্ণিত,রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন-
“রামাযানের পর আল্লাহর মাস মুহাররমের রোযা হল সর্বশ্রেষ্ট”
(সহীহ মুসলিম, ২য় খন্ড, ৩৬৮ পৃষ্ঠা/জামি’তিরমিযী, ১ম খন্ড, ১৫৭ পৃষ্ঠা)

***হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মদীনায় হিজরত করার পর দেখলেন,ইহুদীরা আশুরার দিন রোযা রাখে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে রোযার কারণ জিজ্ঞাসা করলেন। তখন তারা বলেছিল, এটি মহিমান্বিত একটি দিন। এই দিনে মুসা (আলাইহিস সালাম) ও তার কওম নিস্তার পান। আর ফেরআউন ও তার দল ডুবে মারা যায়। সেই থেকে মুসা (আলাইহিস সালাম) শুকরিয়াস্বরূপ এই দিনে রোযা রাখতেন। সে হিসেবে আমরাও রোযা রাখি। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুসা আলাইহিস সালাম)-এর ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমরা অধিক হকদার। অতপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেও রোযা রাখলেন এবং অন্যদেরকে রোযা রাখার নির্দেশ করলেন।’ (সহীহ বুখারী, হাদীস : ৩৩৯০; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস : ২৬৪৪; সহীহ মুসলিম,হাদীস :১১২৫)

***ইব্ন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে এই আশুরার দিনের উপর অগ্রাধিকার দিয়ে এত গুরুত্বসহকারে অন্য কোন দিন রোযা পালন করতে দেখি নি। (অর্থাৎ রামাযান মাস ছাড়া) (বুখারী)

*** ইব্ন আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসুলে কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: “আশুরার দিন রোযা রাখ এবং এ ক্ষেত্রে ইহুদীদের বিরোধীতা করে এর আগের দিন বা পরের দিন রোযা রাখ।” (মুসনাদ আহমাদ, সহীহ ইব্ন খুযায়মা ইত্যাদি)
ইমাম আহমাদ ইব্ন হাম্বল (রাহমাতুল্লাহি আলাইহি) বলেন: মাসের শুরু চিনতে অসুবিধা হলে (নয়, দশ ও এগার এ) তিন দিন রোযা রাখবে। যেন নয় ও দশ তারিখে রোযা নিশ্চিতভাবে সম্পন্ন করা যায়। মুগনী (৩/১৭৪)

অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন বাংলাদেশ আনজুমানে আশেকানে মোস্তফা দঃ​

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>