সর্বশেষ আপডেট
Home » bn » মুফতী সাইয়্যেদ আমীমুল ইহসান বারকাতী (রহঃ) এর উরুস মুবারাক ২০১৭

মুফতী সাইয়্যেদ আমীমুল ইহসান বারকাতী (রহঃ) এর উরুস মুবারাক ২০১৭


19619474_10213801555900106_730601151_o

উপমহাদেশের যে কয়েকজন আলেমে দ্বীন তাদের সুতীক্ষ্ণ মেধায়, নিরলস অধ্যাবসায় ও সুউচ্চ যোগ্যতার মাধ্যমে ইসলামের প্রাণকেন্দ্র আরব জগতকেও মুগ্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ব্যক্তিত্ব ছিলেন কলকাতা নাখোদা মসজিদের দারুল ইফতা’ র প্রধান মুফতী, মাদ্রাসা ই আলিয়ার হেড মাওলানা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুর্কারমের সর্বপ্রথম এবং একমাত্র সাইয়্যেদজাদা খাতীব (১৯৬৪-১৯৭৪) মুফতী সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান বারকাতী (রহ.)। গত ১০ই শাওয়াল ১৪৩৮, ৫ ই জুলাই ২০১৭ ইং,রোজ বুধবার বাদ আসর মসজিদে মুফতী আযমে মসজিদের তাঁর উরুস মুবারাক উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল, মিলাদ শরীফ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

মুফতী-এ আযম সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান বারকাতী নক্শবন্দী মুজাদ্দেদী (রহঃ) এর জীবনীর উপর জ্ঞাণগর্ভ আলোচনা করেন মুফতী আমীমুল ইহসান একাডেমির পরিচালক মাওলানা সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ নাঈমুল ইহসান বারকাতী। তিনি তার আলোচনার মধ্যে বলেন ”আমার বড় দাদাজান মুফতী সাইয়্যেদ আমীমুল ইহসান বারকাতী (রহ:) ছিলেন একজন খাঁটি সাইয়্যেদজাদা এবং নাজিবুত্তারাফাইন। আমার বড় দাদাজানের যে একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য ছিল সেটা ছিল একজন আলেমের পরিচয়। আর আলেমের কাজ হচ্ছে মুসলমানদের ও ঐক্যবদ্ধ করে রাখা। নিজেরাই চিন্তা করুন আমরা প্রত্যেকেই মুসলমান যাদের আল্লাহ এবং কালেমা ও কুরআন এবং নবী এক তারপরও সব মুসলমানগন এক নয়। ছোট ছোট বিষয় নিয়ে আমরা অযথা বিতর্কে জড়াচ্ছি। হাত তুলে দোয়া করা যাবে না, মিলাদ হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি ছোট খাটো বিষয় নিয়ে আমরা তুমুল দ্বন্ধে লিপ্ত হচ্ছি। অথচ আজ থেকে কিছু কাল পূর্বে এমনটি ছিল না। ইতিহাস সাক্ষী আছে ১৯৬৪-৭৪ মুফতী সাহেব হুজুর যতদিন বায়তুল মুকাররামের খতীব ছিলেন তখন এরকম কোন ফিতনা ফ্যাসাদ ছিল না। সব মুসলমান এক সাথে থাকত। এমনটি শিয়ারা যারা হযরত আলীকে ও আহলে বাইতকে খুব সম্মান করে যারা সহজে যে কোন ব্যক্তির পিছনে নামায পড়তে চায় না। কিন্তু মুফতী সাহেব হুজুর যত দিন পর্যন্ত জাতীয় মসজিদের খতীব ছিলেন ততদিন সব শিয়া তার পিছনে বায়তুল মোকাররামে এসে নামায পড়ত তারা বললও “এখনকার দুনিয়ায় মুফতী সাহবে থেকে বড় কোন সাইয়্যেদ নেই। তাই আমরা তাকে বাদ দিয়ে অন্য কারো পিছনে নামায পড়ব না। এই আলে রাসূলের পিছনেই নামায পড়ব। এটিই ছিল তার মত আলেম ও সাইয়্যেদজাদার শান। ” মাহফিলে নাতে রাসূল পেশ করেন সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ আমীনুল ইহসান মাদানী। এরপর মিলাদ ও কিয়াম হয়। হযরত মুফতী সাহেবের ভাগ্নে ও খলিফা জনাব মাওলানা মোহাম্মদ সালেম ওয়াহেদী দোয়ার মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি করেন।

Bare_Dada_COLOR 19720287_10213801545739852_2144449819_o

Share This:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>